স্কুল কলেজে পাঠদানের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ

কোভিড-১৯ সংক্রমণে রোধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকাকালীন সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত পাঠদান কার্যক্রম এবং স্কুল ও কলেজ পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত অনলাইন পাঠদান ও অন্যান্য কার্যক্রম সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে।

আরো পড়ুন- সংসদ টেলিভিশনের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির ক্লাস রুটিন ২০২০

এইচএসসি পরীক্ষার নতুন তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি
http://www.bdjobs20.com

এই কার্যক্রম বাস্তবায়নে আঞ্চলিক পরিচালক, উপ-পরিচালক, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মনিটরিং করবেন। চলতি সেপ্টেম্বরে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের (অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষক)  নিয়ে অনলাইনে আঞ্চলিক একটি সভা করবেন। আর অক্টোবর মাসে দুটি বৈঠক করবেন।

প্রতিষ্ঠান প্রধানের সঙ্গে শিক্ষা কর্মকর্তারা বৈঠকে আলোচনা করবেন সংসদ টেলিভিশনের প্রচারিত শ্রেণি পাঠদানের সঙ্গে সমন্বয় করে শ্রেণি পাঠদানের রুটিন তৈরি করার বিষয়ে।  সংসদ টেলিভিশনে শিক্ষার্থীরা যাতে অংশ নেন সে বিষয়ে আলোচনা করতে হবে।

শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা করবেন। অনলাইন ক্লাসের সার্বিক কার্যক্রম আলোচনা করবেন। প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আলোচনা করবেন।  এছাড়া ল্যাবগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সচল রাখার বিষয়ে আলোচনা করবেন।

আরো পড়ুন- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়

উক্ত সভার আলােচ্য বিষয়সমূহ হচ্ছে

• সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত শ্রেণি পাঠদানের সাথে সমন্বয় করে অনলাইন ক্লাস রুটিন তৈরি;
• অনলাইন ক্লাস ও সংসদ টেলিভিশনের কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ;
• শিক্ষার্থীর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য (সম্ভব হলে এ বিষয়টি আলােচনার সময় এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ উপস্থিত রাখবেন);
• অনলাইন ক্লাস এর সার্বিক কার্যক্রম;
• প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার – পরিচ্ছন্ন রাখা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• ল্যাবসমূহ পরিষ্কার – পরিছন্ন ও সচল রাখা;
• বিবিধ

স্কুল কলেজে পাঠদানের জন্য শিক্ষা অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আঞ্চলিক সভার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে অনলাইন সভা/স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাক্ষাৎ সভা করে উপরােক্ত আলােচনার নিরিখে প্রয়ােজনীয় পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন (পরবর্তী মাসে ২ বার)।

আঞ্চলিক সভার এক সপ্তাহের মধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট অভিভাবকদের সাথে অনলাইন সভা এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সাথে সহনশীল আচরণ, দৈনন্দিন কাজের রুটিন, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি, লেখাপড়া ও অন্যান্য বিষয়ে আলােচনা করবেন (পরবর্তীতে ২ মাসে অন্তত ১ বার)।

প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক-কর্মচারী ও ছাত্র প্রতিনিধির (স্টুডেন্ট কেবিনেট, কাব, হলদে পাখি, বিএনসিসি, গার্লস গাইড, রেডক্রিসেন্ট, রােডার স্কাউট) সাথে মত বিনিময় করবেন। আঞ্চলিক পরিচালক এর উদ্যোগে সকল অধ্যক্ষ একসঙ্গে জেলা ডিত্তিক সার্বিক বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময় করবেন। উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা অফিসার উক্ত সভায় উপস্থিত থাকবেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এর উদ্যোগে সকল প্রধান শিক্ষক সার্বিক বিষয়ে পারস্পরিক মতবিনিময় করবেন। উপপরিচালক ও জেলা শিক্ষা অফিসার উত্ত সভায় উপস্থিত থাকবেন। প্রতিষ্ঠান প্রধান সংশ্লিষ্ট শ্রেণি শিক্ষকের সাথে বিষয় শিক্ষকদের সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে সে বিষয়ে মােবাইল ফোনের মাধ্যমে তাদেরকে প্রয়ােজনীয় দিকনির্দেশনা দিবেন।

আরো পড়ুন- প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত বার্ষিক পাঠ পরিকল্পনা

প্রতিষ্ঠান প্রধানের নেতৃত্বে জুম মিটং বা স্বাস্থ্য বিধি অনুসরণ করে সাক্ষাৰ মিটিং করে শিক্ষকগণ একাডেমিক কার্ক্রমে তাদের দক্ষতা উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ, কারিকুলাম বিষয়ে পারস্পরিক আলােচনা করবেন (মাসে অন্বত ০১ বার)। প্রতিষ্ঠান প্রধানগণ কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং করবেন সে সম্পর্কে প্রতিমাসে একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত করে প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণ করবেন এবং উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে যেকোন সময় প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত রাখবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Shares