গুগল হোম মিনি । Wireless Home Control And Voice Assistant Speaker

গুগল হোম হল স্মার্ট স্পিকার এর একটি ব্রান্ড, যেটি জনপ্রিয় টেক ভিত্তিক কম্পানী গুগল দ্বারা উন্নীত। যন্ত্রটির প্রথম ঘোষণা আসে, ২০১৬ সালের মে মাসে এবং ২০১৬ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ছাড়া হয়, যদিও ২০১৭ সালের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বহিঃবিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাজারে ছাড়া হয়।

গুগল হোম স্পিকার, তার ব্যবহারকারীকে ধ্বনিত আদেশ বা মুখের ভাষায় আদেশ প্রদানের অধিকার প্রদান করে, যাতে করে গুগলের বুদ্ধিমান ব্যক্তিগত সহকারী, যাকে গুগল এসিস্টেন্ট ও বলা হয়ে থাকে, এর মাধ্যমে পরিসেবাগুলোর সাথে যোগাযোগ করতে পারে। যেগুলোতে অনেক ধরনের সেবা অন্তভুক্ত, সেগুলো মূলত গৃহস্থালী এবং তৃতীয় পক্ষের’ও হতে পারে, যেগুলো একজন ব্যবহারকারীকে গান শুনতে, ভিডিও অথবা ছবির প্লে-ব্যাক (প্লে-ব্যাক; পূর্বে রেকর্ডকৃত বা তোলা ভিডিও এবং ছবির পুনরায় প্রতিলিপি) নিয়ন্ত্রন করতে, অথবা সম্পূর্নরুপে ভয়েস বার্তার মাধ্যমে সর্বশেষ সংবাদ পাওয়া যায়।

আগের মুল্যঃ ৪,৫০০ টাকা
বর্তমান মুল্যঃ ৩,৫০০ টাকা
প্রডাক্টের অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

এছাড়াও গুগল হোম যন্ত্রগুলিতে বা ডিভাইস গুগুলোতে হোম অটোমেশন বা স্মার্ট হোম প্রযুক্তি সমর্থন করে, যেটি একজন ব্যবহারকারীকে তার কন্ঠস্বর দ্বারা বিভিন্ন বিভিন্ন স্মার্ট হোম অ্যাপলিকেশন ব্যবহার করার সুবিধা প্রদান করেছে। কয়েকটি গুগল হোম বাসগৃহের আলাদা আলাদা রুম বা কক্ষে গানের প্লে-ব্যাকের সামজ্যস্ববিধানের জন্যও রাখা যেতে পারে। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসের নতুন সাম্প্রতিকতম সংযোজনে, নতুন করে মাল্টি-ইউজার নামক একটি সুবিধা যুক্ত করা হয়, যেটির মাধ্যমে যন্তটিকে সর্বোচ্চ ছয়জন পযন্ত তাদের নিজেস্ব কন্ঠস্বরদ্বারা নিয়ত্রন করার অধিকার প্রদান করে। ২০১৭ সালের মে মাসে, গুগল তাদের গুগল হোমের জন্য কয়েকটি নতুন কার্যকারীতা ঘোষনা

প্রডাক্ট সম্পর্কে খুবই ভালো রিভিউ আছে । দেখে নিন নিজেই

করে, যেগুলোর মধ্যে: কানাডা এবং কানাডাজুড়ে ফ্রী হ্যান্ডস-ফ্রী ফোন কলিং নামক সুবিধা অন্যতম; পূর্ব নির্ধারিত ইভেন্ট সমূহকে সামনে রেখে কিছু স্বক্রিয় নতুন আপডেট বা কার্যকারীতা আসছে; মোবাইল ডিভাইস অথবা ক্রোমকাস্ট সংবলিত টেলিভিশন সমূহে চাক্ষুষ প্রতিক্রিয়া; ব্লুটুথ এর মাধ্যমে অডিও শোনা; এবং রিমাইন্ডার দেয়া এছাড়াও কেলেন্ডার-এ কোন কিছুর নিযুক্তি বা রিমাইন্ডার যোগ করার অধিকার প্রদান করা।

আগের মুল্যঃ ৪,৫০০ টাকা
বর্তমান মুল্যঃ ৩,৫০০ টাকা
প্রডাক্টের অর্ডার করতে এখানে ক্লিক করুন

মূল পন্যটিতে বেলনাকার আকৃতি প্রদান করা হয়েছে, সাথে এর অবস্থানের চাক্ষুষ উপস্থাপনার জন্য বিভিন্ন রং সংবলিত এলইডি বাতি আছে। ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসে, গুগল এই পন্যটির বিন্যাসে আরো দুটি সংস্করণ যোগ করে, সেগুলো হল গুগল মিনি এবং গুগল ম্যাক্স।

দেশে বসে বিদেশের চার কোম্পানি সামলান বাংলাদেশের মেরিলিন

দেশে বসেই বিদেশের চার প্রতিষ্ঠান চালাচ্ছেন তিনি । আয়ের শুল্ক শুনলে যে কারও চোখ কপালে উঠবে । অনলাইনে একটি মার্কেটপ্লেস থেকেই তার মাসে দুই লাখ টাকা আয় হয় । যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনলাইন মার্কেটপ্লেস আপওয়ার্কে শীর্ষ আয়ের তালিকায় জ্বলজ্বল করছে তার নাম । তিনি বাংলাদেশি তরুণী মেরিলিন আহমেদ । ফ্রিল্যান্সিংয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের অনেকখানি এগিয়ে যাওয়ার বার্তা বহন করছেন মেরিলিন ।

দেশে বসেই বিদেশের চারটি প্রতিষ্ঠানের জন্য কর্মী নিয়োগ দেওয়া ,মানবসম্পদ বিভাগ দেখাসহ প্রতিষ্ঠানের গুরুদায়িত্ব পালন করছেন মেরিলিন আহমেদ । ফ্রান্সের একটি কোম্পানি তাঁকে সে দেশে চলে যেতে বললেও তিনি দেশেই গড়ে তুলতে চাইছেন মানবসম্পদ নিয়ে কাজ করে এমন এক প্রতিষ্ঠান । ব্যবসা ও চাকরির পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিংয়ে যুক্ত থাকলেও মেরিরিন নিজেকে পুরোপুরি ফ্রিল্যান্সার হিসেবেই পরিচয় দেন । নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ,এমবিএ ও পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদ-বিষয়ক ডিপ্লোমা পিজিডিএইচআর করে দেশের কয়েকটি নামকরা প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন ।

সামরেছেন দেশের বড় বহুজাতিক পএতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগের দায়িত্ব ।কিন্তু চাকরির বাঁধাধরা সময় তার পছন্দ হয়নি বলে বেছে নেন ফিল্যান্সিং পেশাটাকে । কারণ, এখানে নিজের স্বাধীন সময়মতো কাজ করার সুবিধা আছে । এর বাইরে নিজের সুবিধাজনক সময়কে চাকরির জন্য বেছে নিয়েছেন । গত এক বছর দেশের ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির পিজিডিএইচআর কোর্স পড়াচ্ছেন । সঙ্গে নিজের ব্যবসা শুরু করে আয়ের পরিধিটুকু বাড়িয়ে নিতে পেরেছেন বহুগুণ । একসঙ্গে এখন তিন ধরনের কাজ সামলাচ্ছেন মেরলিন ।

মেরিলিন জানালেন , ফ্রিল্যান্সিং জগতে তিনি প্রধানত মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক ও প্রকল্প পরামর্শক হিসেবে কাজ করেন । বাংলাদেশ থেকে এ ধরনের ফ্রিল্যান্সার হাতে গোণা । তিনি আপওয়ার্কের শীর্ষ আয়ের ফ্রিল্যান্সারদের একজন । সরকারের কাছ থেকেও স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি । তাকে এখন ফ্রান্সের ২৫০ জনের বেশি কর্মী আছে এমন একটি প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ বিভাগ দেখতে হয় । সেখানে ১৮টিরও বেশি দেশের লোক একসঙ্গে যাঁর যাঁর দেশ থেকে কাজ করছেন ।

এর বাইরে আরো তিনটি প্রতিষ্ঠানের হয়ে খন্ডকালীন কাজ করছেন মেরিলিন ।বিভিন্ন দেশের কর্মীদের নিয়োগ দিতে সাক্ষাৎকার নেওয়া , প্রতিষ্ঠানের জন্য দরকারি কর্মী সংগ্রহ ,কর্মীদের ছুটি বেতন ও নীতিমালা তৈরিসহ নানা বিষয়ে তাকে দেখতে হয় । মেরিলিন জানালেন ,গত তিন বছরে তিনি অনলাইনে নিয়োগ দিয়েছেন ৪৫০ জনেরও বেশি আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্স কর্মীকে ।ওই চারটি প্রতিষ্ঠানের জন্য তার কাজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কারন , প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের পএধান নির্বাহী কর্মকর্তারা তার ওপর ভরসা করেন । সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন । এ কারণে তাদের সময়ের সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করতে হয় । পুরো কাজ করতে হয় অনলাইনে । সময়ের ব্যবধানের সুবিধা হিসেবে তিনি ইউরোপীয় গ্রাহকদের সঙ্গেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ।

পুরো কাজ করতে হয় অনলাইনে । সময়ের ব্যবধানের সুবিধা হিসেবে তিনি ইউরোপীয় গ্রাহকদের সঙ্গেই কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ।

যেভাবে ফ্রিল্যান্সিংয়ে এলেন :
জবাবে মেরিলিন জানান, ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে পড়াশোনা করে ফ্রিল্যান্সিংয়ে আসার ইচ্ছে কখনও ছিলোনা । সে সময়ে ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রসার ও প্রভাব সম্বন্ধে জানাও ছিলোনা । তবে করপোরেট চাকরি করতে করতে ক্লান্ত হয়ে বিকল্প চিন্তা করেছিলেন । চাকরি ছেড়ে তখনই এ পথে আসা । তবে শুরুটা মোটেও সহজ ছিলোনা । তিনি মার্কেটপ্লেসগুলো নিয়মিত ঘেঁটেছেন । কাজ খুজেছেন। অনেকের মতোই ডাটা এন্ট্রি , লেখালেখির মতো কাজগুলো পেতে আবেদন শুরু করেন । সেটা ২০১৩ সালের দিকে । এরপর প্রথম কাজ পেতে ৬ মাস সময় লাগে । তিনি ধৈর্য হারাননি । প্রথম কাজ সফলভাবে শেষ করার পর আরো কয়েকটি কাজ করেন । কিন্তু তিনি যে বিষয়ে দক্ষ সে বিষয়ে কাজ পাচ্ছিলেন না । এর মধ্যে শুরু করেন নিজের প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা । সেই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে ও আয় বাড়াতে ফ্রিল্যান্সিংকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন ।
একসময় কাজ পেয়ে যান এক বিদেশি গ্রাহকের, যার সঙ্গে পরে অনলাইনের বাইরেও নিজের মানবসম্পদবিষয়ক পরামর্শ ব্যবসা শুরু করেন তিনি।
মেরিলিন থাকেন রাজধানীর বনশ্রীতে। তাঁর কার্যালয় পান্থপথে। বাবা–মায়ের বড় সন্তান তিনি। ছোট দুই ভাই আছেন, যাঁরা তাঁদের আপন পেশার ক্ষেত্রে সফল। প্রকৌশলী বাবা ও গৃহ ব্যবস্থাপক মায়ের সান্নিধ্যে মেরিলিনের ছোটবেলা কেটেছে লিবিয়ায়। সেখানে বাংলা মাধ্যমে পড়েছেন। ১০ বছর বয়সে দেশে চলে আসেন। এরপর থেকে তিনি দেশের প্রচলিত মাধ্যমে পড়েছেন। এখন তিনি মানবসম্পদ–বিষয়ক পরামর্শ, নিয়োগ ও নীতিমালা তৈরির কাজগুলো করছেন। আর অবসর মুহূর্তগুলো আজকাল তিনি বিদেশ ভ্রমণ করে কাটান।

জয়ের পেছনে কঠোর সাধনা
কীভাবে এত সব সামলাচ্ছেন? এর জবাবে হেসে মেরিলিন বললেন, সবাই জয়টা দেখতে পায়। পেছনের কঠোর অধ্যবসায়, নিদ্রাহীন রাত, অশেষ ধৈর্য আর সুচিন্তিত পদক্ষেপগুলো কেউ দেখতে পায় না। তাঁর জয়ের মন্ত্র একটাই—নিজের সবচেয়ে ভালোটা দেওয়া। টাকার দিকে চেয়ে নয়; বরং মন দিয়ে পরিশ্রমের মাধ্যমে সাফল্য পেয়েছেন। নিজেকে প্রমাণে নিজের সিদ্ধান্তই প্রয়োগ করতে হবে—এই তাড়নাটুকুও টেনে নিয়ে এসেছে অনেকখানি।
মেরিলিন জানান, ফ্রিল্যান্সিংকে পেশা হিসেবে বেছে নিতে পরিবারের দিক থেকে সমর্থন পেয়েছেন তিনি। তবে বড় প্রতিষ্ঠানের চাকরি ছেড়ে দেওয়ার জন্য শুনতে হয়েছে তির্যক মন্তব্য। শুরুতে বাবা–মায়ের কিছুটা আপত্তি থাকলেও পরে তাঁরা পাশে দাঁড়িয়েছেন। শুরুতে ফ্রিল্যান্সিংয়ে নিজেকে মানিয়ে নিতেও কিছুটা সময়ের দরকার হয়েছে। কী করে ভালো ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়, তা নিয়ে রীতিমতো গবেষণা করতে হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের সেবা দিতে এখনো নিজেকে প্রতিনিয়ত তৈরি করে যাচ্ছেন। নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হচ্ছে। শিখতে হচ্ছে।

নতুনদের জন্য পরামর্শ
নতুন যাঁরা ফ্রিল্যান্সিং পেশায় আসতে চান , তাঁদের জন্য ভাষাগত কোনো বাধা দেখেন না মেরিলিন । তাঁর মতে, কাজ শিখে পেশাদার মনোভাব নিয়ে এগোলে সফল হওয়া যাবে। এ ক্ষেত্রে গুগল, ইউটিউবএ নানা শেখার উপকরণ রয়েছে। আগে শিখতে হবে, চর্চা করতে হবে। এরপর মেন্টরিং। ফ্রিল্যান্সিং পেশায় কেউ কাউকে কাজ দিতে পারে না। নিজের কাজ নিজের যোগ্যতায় আদায় করতে হয়। একজন ভালো মেন্টর অবশ্য কাজে আসতে পারে। তবে নিজের বস নিজেকেই হতে হবে।

মেরিলিন বলেন, যাঁরা সন্তান জন্মের পর চাকরি ছেড়ে বসে থাকেন, তাঁরা এ পেশায় আসতে পারেন। এ ছাড়া ঘরে বসে থাকার চেয়ে কাজ শেখাকে গুরুত্ব দেন তিনি। বলেন, বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আগে দক্ষতা বাড়াতে হবে। আজকাল ফ্রিল্যান্সিংয়ের ওপর ভালো প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা সরকারি ও বেসরকারি, দুই পর্যায়েই আছে। অনেকে ইউটিউব, ফেসবুকেও টিউটোরিয়াল দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি বইও পাওয়া যায় প্রচুর। আর কিছু না হোক, নিজে থেকে অনলাইন সার্চ করেও জেনে নেওয়া যায় প্রাথমিক অনেক তথ্য। এরপর কাজে নামতে পারেন। শুরুতেই কাজের আশা না করে, নিজের যোগ্যতা বুঝে এগোতে হবে। রাতারাতি সাফল্য আসে না।

মেরিলিনের মতে, ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে কিছু ভ্রান্ত ধারণা আছে । ঢালাওভাবে ফিল্যান্সিং সবার জন্য-এ ধারণাটা ভুল । আবার যাদের দেশীয় বাজারে কাজ নেই তাদের জন্য , সেই ধারণা ও ভুল । তবে আন্তর্জাতিক মার্কেটপ্লেসে কাজ করার দক্ষতা থাকলে কারও ভাবাভাবির দিকে না চেয়ে শুরু করে দেওয়া উচিত । তিনি বলেন ,কাজ যেন চাইতে না হয় , কাজই যেন আপনাকে খুজেঁ নেয়, সেভাবে এগোতে হবে । এ লক্ষেই নিজের একটি আন্তর্জাতিক মানের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার সপ্ন দেখছেন বলে জানালেন ।

তথ্যসূত্রে – প্রথমআলো

SEARCH RELATED TYPE POST : ফ্রিল্যান্সিং,আউটসোর্সিং,সফল উদ্যোক্তা

সকল আপডেট পেতে আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে পাশে থাকুনঃ BD-Jobs20.com

 

৫ বছরেই উড়ড়ুক গাড়ি!

চালকহীন গাড়ীতে চেপে বসেছে মানুষ , আর সেই গাড়ী শাঁই শাঁই করে ছুটে যাচ্ছে গন্তব্যে-েএটা এখন আর কোন কল্পকাহিনি নয়। গাড়ি যে উড়োজাহাজের মতো উড়তে পারে , বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী গুন আকাশের গায়ে প্রমান রেখেছে । এখন চেষ্টা চলছে যাতায়তে হরদম তা কাজে লাগাতে ।আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে গাড়িতে যোগাযোগের ক্ষেত্রে এমন পরিবর্তন চোখে পড়বে । যুক্তরাষ্ট্রের চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইনটেলের ড্রোন বিভাগের প্রধান অনিল নানদুরি বলেছেন , আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উড়ড়ুক স্বয়ংক্রিয় গাড়ির দেখা মিলবে ।

প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েভসাইট সিনটেকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নানদুরি বলেছেন ,প্রযুক্তির ভবিষৎ হিসেবে স্বয়ংক্রিয় উড়ুক্কু গাড়ি হবে যুগান্তকারী উদ্ভাবন । আগামী পাঁচ বছরে উড়ড়ুক গাড়ি সবার নাগালে না পৌঁছালেও আকাশে এসব গাড়ি উড়তে দেখা যাবে।

আমাদের Group এ জয়েন করুন চাকরি সহ সকল আপডেট পেতেঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,চাকরি, BCS- বাংলাদেশ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,চাকরি, BCS- বাংলাদেশ
https://www.facebook.com/groups/177986376008069/

ড্রোন এখন বিনোদন , নজরদারি বা পন্য় পরিবহনের মতো নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে । এ প্রযুক্তি ব্যবহার করেই ভূমির ত্রিমাত্রিক যানজট সমস্যার সমাধান করবে উড়ড়ুক গাড়ি । আগামি এক দশকের মধ্যেই শহরের যানজট দূর করার জন্য উড়ড়ুক ট্যাক্সি সার্ভিস চালু হয়ে যাবে।

সকল আপডেট পেতে আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে পাশে থাকুনঃ BD-Jobs20.com

অবশ্য উড়ড়ুক গাড়িতে যানজট সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া গেলেও এর নিরাপত্তা ও আরামদায়ক ব্যবস্থা নিয়ে সংশয় থাকছে বলে মনে করেন নানদুরি । উড়ড়ুক গাড়িতে সমস্যার চেয়ে সম্ভাবনা বলেই বেশি দেখছেন তিনি।

ইনলেটের ওই প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞের মতে, আন্ডারগ্রাউন্ড বা মাটির নিচে টানেল তৈরি করে যোগাযোগব্যবস্থা চালুর চেয়ে আকাশে উড়ড়ুক যানের মাধ্যমে যোগাযোগব্যবস্থা চালু করার খরচ কম। তাই এ ধরনের সেবার গ্রহণযোগ্যতা বাড়তে পারে ।

search related type post :
flying cars of the future ,real flying cars 2018 ,flying car 2018 ,flying cars information ,flying cars 2020 ,new flying car ,flying car drone ,flying car 2019

নিরামিষ বিরিয়ানি রাঁধবেন যেভাবে

বিরিয়ানি মানেই মাংস আর মশলার জড়াজড়ি- এমন একটা ধারনা সবারই। কিন্তু মাংস ছাড়াই রান্না করা সম্ভব। হাতের কাছে থাকা সবজি দিয়েই খুব সহজে রান্না করতে পারেন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর নিরামিষ বিরিয়ানি

জেনে নিন কিভাবে তৈরী করবো……।

উপকরণঃ-

  • পোলাওর চাল ১ কেজি
  • গাজর
  • আলু
  • ফুলকপি ৫০০ গ্রাম
  • আদা- রসুন বাটা টেবিল চামচ
  • হলুদ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ
  • জয়ফল ও ছোট এলাচ গুঁড়া ১ চা চামচ
  • কাজু বাদাম বাটা ২ টেবিল চামচ
  • শুকনো মরিচ গুঁড়া ১/২ চা চামচ
  • ঘি বা তেল পরিমাণ মত
  • লবন পরমাণ মত

প্রণালিঃ-

প্রথমে চাল ধুয়ে ঝরিয়ে লবণ ও লেবুর রসে ভিজিয়ে রাখুন আধঘণ্টা। সামান্য তেল গরম করে জাফরান রং ছাড়া সমস্ত মসলা দিয়ে নাড়াচাড়া করুন। তরকারি ধুয়ে ছোট ছোট করে সেদ্ধ করে নিন।এর পর মসলা দিয়ে ভালোভাবে কষিয়ে নিন।

এবার পোলাও রান্না করে সবজি গুলো মিশিয়ে নিন। সাথে ঘি ছাড়াতে থাকবেন। গন্ধ, বর্ণ ও স্বাদের জন্য উপর দিয়ে জাফরান ছড়িয়ে দিন। ঢাকনা দিয়ে জ্বালে বসিয়ে দিন। কিছুণ পর নামিয়ে ফেলুন। তৈরি হয়ে গেল সবজি বিরিয়ানি।

বরইয়ের টক আচার তৈরির রেসিপি।

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে বরই। সুস্বাদু এই ফলটি কাচাঁ খাওয়ার পাশাপাশি খাওয়া যায় আচার তৈরি করেও। বরইয়ের আচার বেশ মুখরোচক একটি খাবার। এটি তৈরি করা যায় বেশ সহজেই। তাই বাসায় স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি করুন সুস্বাদু বরইয়ের আচার। রইলো রেসিপিঃ-

উপকরনঃ-

  • বরই ১ কেজি
  • সরিষার তেল আধা কেজি
  • পাচফোড়ন গুঁড়া ১ চামচ
  • হলুদ গুঁড়া সিকি চা চামচ
  • লবণ ১ চা চামচ
  • সরষা বাটা ১ চা চামচ
  • শুকনো মরিচ গুড়া ১ চা চামচ
  • আস্ত শুকনা মরিচ ২ টি
  • তেকপাতা ২ টি

প্রণালি

বরই টুকরো করে কেটে হলুদ, মরিচ,লবণ,সরিষা বাটা দিয়ে মেখে রোদে শুকাতে দিন। ৩ দিন রোদে শুকিয়ে তারপর তেলে দিন। এবার তেলে শুকনা মরিচ ও তেজ পাতা দিন। আচার বয়ামে রেখে রোদে আরও কয়েক দিন রেখে দিন। তার পর সন্রক্ষণ করুন।

গরমে রূপচর্চা

কিছুদিন বৃষ্টি থাকলে ও আবারও গরমের তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে।রোদের তাপ বৃদ্ধি মানেই ত্বকে কালচেভাবসহ আরত্ত নানান সমস্যা। তাই ত্বক রাখা চাই সুরক্ষিত।

প্রশিক্ষক শিখ আগারত্তয়াল এই আগারওয়াল এর ত্বকে বিশেষ যত্নের কিছু টিপস উল্লেখ করা হল ।

ত্বকের তেলতেলে ভাব নিয়ন্ত্রণঃ এই আবহাওয়ায় ক্রিম বেইজ ফেইসত্তয়াশ এবং ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম বাদ দিয়ে জেল ফেইসত্তয়াশ এবং অয়েল ফ্রি ও এসপিওএফ সমৃদ্ধ ক্রিম ব্যবহার শুরু করতে হবে।যাদের ত্বক বেশি তৈলাক্ত তাদের উচিত কমপ্যাক্ট পাউডার সঙ্গে রাখা ,যেন যে কোন সময় প্রয়োজন মতো ব্যাবহার করা যায়।

ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারঃ   গ্রীষ্ম মানেই যে ময়েশ্চারাইজারকে বিদায় জানাতে হবে তা পুরোপুরি ভুল ধারনা এই কারনে তপ্ত আবহাওয়ায় ত্বক আর্দ্রতা হারাতে থাকে ।
তাই ত্বকের তৃষ্ণা মেটাতে প্রয়োজন ময়েশ্চারাইজার যা হতে হবে অয়েল ফ্রি। ভেজা ত্বকের উপর ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। কারণ শুধু বাহ্যিক যত্নই যথেষ্ট নয় শরীরের ভেতর থেকে যত্ন নিলেই সুন্দর ত্বক পাওয়া সম্ভব।

ফাউনডেশনকে বিদায়ঃ এই গরমে ঘন ফাউন্ডেশন ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং ত্বকের খুঁত ঢেকে ফেলতে প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য বিবি বা সিসি ক্রিম,হালকা রঙ্গয়ের লিপস্টিক বা গ্লস ব্যবহার করতে হবে।

রুপচর্চা ও স্বাস্থ্য নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের Group- এ জয়েন করুনঃ Health & Beauty Tips

ওয়াটার প্রুফ ’ প্রসাধনী: গরমে কম আর বেশি, ঘাম হয় সবারই। তাই মেইকআপ, মাস্কারা, লাইনার নষ্ট হয়ে যায়। তাই এই মৌসুমে ‘ওয়াটার প্রুফ’ প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে। বিশেষত লাইনার এবং মাস্কারা অবশ্যই ‘স্মাজপ্রুফ’ এবং ‘ওয়াটার প্রুফ’ বেছে নিতে হবে। নতুবা ছড়িয়ে গিয়ে দেখতে বাজে লাগবে।

সকল আপডেট পেতে আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে পাশে থাকুনঃ BD-Jobs20.com

চুলের যন্তঃ গ্রীষ্মে রোদের তাপে চুল রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়বে,তাই চুলের বড়তি যন্ত নেওয়া প্রোয়োজন, শ্যাম্পু  করার পর অবশ্যই চুলের আগার অংশে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন চুল শুকাতে ব্লো ড্রায়ার ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে। করলে চুল রুক্ষ ও প্রাণহীন হয়ে পড়বে।
চুল বারবার বা বেশি বেশি পরিষ্কার করা এড়াতে হবে। মাথা ঘেমে থাকলে বা জট লেগে গেলে ‘ফ্রিজ (frizz) কন্ট্রোলিং’ প্রসাধনী ব্যবহার করতে হবে।

গরমে শিশুর যত্ন । BD JOBS20

গরমে বড়দের থেকে শিশুদের বেশি কষ্ট হয় । গরমে শিশুরাই বেশি ঘেমে যায় । তাই এই সময় বাবা মায়েরা শিশুদের নিয়ে একটু বেশিই চিন্তিত থাকে । আর গরমে শিশুরাই বেশি অসুস্থ হয়ে যায় । এ কারণে গরমে ছোট সোনামণিদের বিশেষ যন্ত নেওয়া অপরিহার্য । তাদের খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে সবকিছুই খেয়াল রাখতে হবে ।

শিশুর খাদ্য :
গরমে শিশুদের খাদ্য তালিকায় হালকা ,পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার রাখতে হবে । সেটা হতে হবে অবশ্যই নরম খাবার । তবে খেয়াল রাখতে হবে গরমে শিশুদের খাবার যেন বাইরের না হয় । ঘরেই সহজপাচ্য খাবার বানিয়ে শিশুকে খাওয়ান । গরমের দিন একটু মাছ-মাংস কম করেই খাওয়ানো উচিত ।
গরমে শিশুকে যথেষ্ট পরিমাণে ঠান্ডা পানি পান করান । কেননা এ সময়ে শিশুরা খুবই ঘেমে যায় । এতে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ঝরে যায় । তবে খেয়াল রাখবেন পানি যেন ফ্রিজের না হয় । এছাড়া গরমকালে বিভিন্ন রসালো ফল পাওয়া যায় । শিশুদের অবশ্যই গরমে এসব ফল খাওয়াবেন । ফলের জুসও খাওয়াতে পারেন ।

শিশুদের পোশাক :
গরমে আপনার শিশুর পোশাকের দিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে । গরমের দিনগুলোতে শিশুকে সুতির নরম ও পাতলা পোশাক পরান ।হাতা কাটা পোশাক পরানো প্রয়োজন । ডিসপোজেবল ন্যাপির পরিবর্তে সুতির পাতলা কাপড়ের ন্যাপি পরানো ভালো। কেননা ডিসপোজেবল ন্যাপিগুলো ঘাম ও তাপ শোষণ করতে পারেনা তাই র‌্যাশ ,ঘামাচি প্রভৃতি সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

নিয়মিত গোসল :
গরমে শিশুদের খুব দ্রুত র‌্যাশ ও ঘামাচি উঠে । তাই গরমের দিনে শিশুকে নিয়মিত গোসল করাতে হবে। গোসলের সময় ভাজযুক্ত জায়গা যত্ন সহকারে পরিষ্কার করতে হবে । গোমলের পানিতে ডেটলও দিতে পারেন ।

রুপচর্চা ও স্বাস্থ্য নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের Group- এ জয়েন করুনঃ Health & Beauty Tips

শিশুর চুলের যত্ন :
এই গরমে আদরের ছোট্ট সোনামনির চুলের দিকেও খেয়াল রাখতে হবে । গরমে শিশুর বেশিরভাগ চুলের গোড়া ঘেমে যায়। এতে খুশকি ও ঘামাচি বের হয় । তাই গরমের শুরুতেই শিশুর চুল ছোট রাখতে হবে । ন্যাড়া করে দিলে আরো ভালো হয় ।

সকল আপডেট পেতে আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে পাশে থাকুনঃ BD-Jobs20.com

শিশুর আবাসস্থল :
গরমে শিশুকে ঠান্ডা রাখার জন্য ঘরে যেন প্রচুর আলো বাতাস ঢুকতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে । দম বন্ধ করা ঘরে রাখলে শিশু অসুস্থ হয়ে যাবে । তাই বলে ঠান্ডার জন্য এসি ব্যবহার করা যাবে না । মাঝে মাঝে আপনার শিশুকে বারান্দায় নিয়ে যাবেন ।

শিশুর প্রসাধনী :
গরমে শিশুকে গোসলের পর তেল, লোশন প্রভৃতি প্রসাধনীর ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে । শিশুকে গোসল করানো পর শরীর শুকিয়ে আসলে গলা ,পায়ের ভাঁজে ইত্যাদিতে পাউডার ব্যবহর করুন ।এতে ঘামাচি উঠা রোধ করবে ।

শিশুর স্বস্থ্য :
শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে । ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি ব্যবহার করতে হবে । শিশুর সুস্থ্যতার জন্য ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে । কোন রকম শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে ।

তথ্যসূত্র : হেলথ কেয়ার।