শিশুর পেটের চারকেজি টিউমারের ভেতর আরেক শিশু!

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Facebook Group-এ জয়েন করুন

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামের বাবুল রায়ের ১২ বছরের মেয়ে বিথিকা রায়। স্থানীয় মলানপুকুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী সে।

গত দশদিন আগে হঠাৎ করেই বিথিকার শারীরিক পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। তার পেট হঠাৎ করেই ফুলতে থাকে। এতে ঘাবড়ে যায় পরিবারের লোকজন। সবার ধারণা হয় সে হয়তো কারও দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছে।

ভয় থেকেই ছুটে যায় ডাক্তারের কাছে। তবে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে না গিয়ে যায় রংপুরের এক ডাক্তারের কাছে। চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান বিথিকার পেটে বড় আকারের টিউমার রয়েছে। যা জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন করা প্রয়োজন।

এদিকে পেশায় দিনমজুর বাবুল রায় রংপুরে অপারেশন করার সামর্থ্য না থাকায় মেয়েকে নিয়ে ঠাকুরগাঁও হাসান এক্স-রে ক্লিনিকে ভর্তি করে ডা. মো. নুরুজ্জামান জুয়েলের শরণাপন্ন হন। ডা. জুয়েল ঝুঁকিপূর্ণ অপারেশন হওয়ায় প্রথমে রাজী হননি। পরে বাবুলের আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন।

শুক্রবার বিকেলে অপারেশন করে দেখা যায় শিশুটির পেটে প্রায় চার কেজি ওজনের টিউমার রয়েছে। অস্ত্রোপচার শেষে টিউমারটি কেটে তার চোখ ছানাবড়া। টিউমারের ভেতরে আরেক শিশুর বসবাস। সেখানে শরীরের হাত, কলিজাসহ নানা অংশ বিদ্যমান।

এ ব্যাপারে ডা. মো. নুরুজ্জামান জুয়েল বলেন, মেডিকেল সাইন্সে এটাকে বলে “Fetus in feto” অর্থাৎ বাচ্চার পেটের ভেতরে বাচ্চা। জন্মগতভাবে বিথিকা জমজ। কিন্তু কোনো কারণবশত আরেক শিশু পৃথিবীর মুখ দেখতে পায়নি। এটা বিথিকার জন্মের সময় থেকে তার পেটে থেকে যায়। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ভালো। আশা করা যায় আর কোনো ঝুঁকি নেই।

সূত্রঃ-jagonews24

শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে রোগী দেখছেন অসুস্থ ডাক্তার

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Facebook Group-এ জয়েন করুন

নিজের অসুস্থ শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে রোগী দেখছেন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী আব্দুল্লাহ মারুফ।

অসুস্থ শরীরে নিজের এক হাতে স্যালাইন লাগিয়ে অন্য হাত দিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। এরই মধ্যে অসুস্থ শরীরে রোগীকে সেবা দেয়ার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়ে যায়। অনেকেই তার এসব ছবি শেয়ার করে প্রশংসা করেছেন।

এসব ছবিতে দেখা যায়, ডাক্তারের মাথার ওপরে স্যালাইন ঝুলছে। পাশাপাশি ডাক্তার আর রোগী বসে আছেন। ইনফিউশন সেটটি রোগীর হাতে নয় শেষ হয়েছে ডাক্তারের হাতে। অর্থাৎ নিজের অসুস্থ শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে রোগী দেখছেন মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী আব্দুল্লাহ মারুফ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এসব ছবি পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের। সেখানে ৩৬তম বিসিএসের মেডিকেল অফিসার ডা. কাজী আব্দুল্লাহ মারুফ বৈকালিক দায়িত্ব পালন করছেন। বাইরের হোটেলের খাবার খেয়ে ফুড পয়জনিংয়ের শিকার হয়েছেন তিনি। ফলে অসুস্থ হয়ে পড়েন ডা. কাজী আব্দুল্লাহ। কিন্তু ওই দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বৈকালিক দায়িত্ব থাকায় নিজের অসুস্থ শরীরে স্যালাইন লাগিয়ে রোগী দেখা শুরু করেন ডা. আব্দুল্লাহ। পরে তার এসব ছবি ভাইরাল হয়ে যায়।

‘বাংলাদেশ মেডিকেল সংবাদ’ ফেসবুক পেজে ছবিগুলো শেয়ার করে একজন লিখেছেন, ‘এ ধরনের ছবি হয়তো শুধুমাত্র বাংলাদেশেই সম্ভব। অনেকে এই ডাক্তার সাহেবকে বাহবা দিলেও এটা আমাদের হেলথ সেক্টরের দৈন্যতার একটা চিত্র। এমন অসুস্থ অবস্থায় তাকে রিপ্লেস করার মতো অন্য কোনো ডাক্তার নেই। অগত্যা এক হাতে স্যালাইন আর অন্য হাতে কলম।’

ওই পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘ইউএইচএফপিও ছাড়া ১১ জন মেডিকেল অফিসার থাকার কথা। আছেন তিনজন। একজন ফ্র্যাকচার হয়ে ছুটিতে, একজন আরএমওএর দায়িত্ব পালন করছেন। আরেকজন আমাদের এই বন্ধু। সকালের ডিউটি বাদেও সপ্তাহে কমপক্ষে চারদিন ইমার্জেন্সি দায়িত্ব পালন করতে হয়। ইএমওএর কোনো পোস্ট অর্গানোগ্রামেই নেই। শিশু কনসালট্যান্ট একজন আছেন, উনি আউটডোর রোগী দেখেন। সুইপারের সংখ্যা অপ্রতুল। রোগীর সিরিয়াল মেইনটেইনের মতো পর্যাপ্ত এমএলএসএস পর্যন্ত নেই। নিজেই টিকিট জমা নিয়ে নাম ডেকে ডেকে রোগী দেখতে হয়।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘যখন উপজেলায় পোস্টেড ছিলাম, তখন বাইরের হোটেলে খেতে হতো। রোগীর স্বজনদের সঙ্গে দেখা হলে বলতো স্যার আপনারাও এখানে খান। আপনাদের বাবুর্চি নেই? হেসে বলতাম, থাকার জায়গার-ই ভালো বন্দোবস্ত নেই, বাবুর্চি তো বিলাসিতা।’

ওই পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, ‘ইউএইচএফপিওদের গাড়ি দেয়া হচ্ছে এবং বলা হচ্ছে সেবার মান বাড়বে। কিন্তু যারা সরাসরি সেবা পৌঁছাবেন সেই মেডিকেল অফিসারদের খাবার ব্যবস্থাও নেই। রাস্তার পাশে ‘হোটেল আল ছালা দিয়া ঢাকা’তে তিন বেলা অস্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হয়। ২৪ ঘণ্টা যারা সার্ভিস দেয় তাদের খাবার ব্যবস্থা হসপিটাল কর্তৃপক্ষ কেন করবে না? তাদের কেন অলিগলির হোটেলে খেয়ে কর্তব্যরত অবস্থায় অসুস্থ হতে হবে। দুইজন ডাক্তার যে ১১ জনের দায়িত্ব পালন করছেন এটার মূল্যায়ন কীভাবে হবে? কোনোভাবেই তো এর কম্পেনসেশন দেয়া সম্ভব বলে মনে করি না। বেতনের সমপরিমাণ অর্থ অতিরিক্ত দায়িত্ব ভাতা হিসেবে দিলেও না। ডাক্তাররা এত আশা নিয়ে সরকারি চাকরিতে এসেও কেন তথাকথিত গ্রামগুলোতে থাকতে চান না এ প্রশ্নের উত্তর দেয়ার কি আর দরকার আছে?’

সূত্রঃ-jagonews24

গুলশানের ডিএনসিসি মার্কেটের আগুন নিয়ন্ত্রণে

গুলশানে ডিএনসিসি মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২০ ইউনিট

ঢাকাঃ- রাজধানীর গুলশান-১ এর ঢাকা উত্তর সিটি করপরেশন মার্কেট অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে ফায়ার সার্ভিসের ২০ টি ইউনিট।

শনিবার (৩০ মার্চ) ভোর ৫টা ৪৮ মিনিটে এ আগুনের সূত্রপাত হয়।

প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি ফায়ার সার্ভিস সদস্যদের হাতে হাত মিলিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন সাধারন মানুষ।

ফায়ার সার্ভিস ওঅ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার আতাউর রহমান বাংলানিউজকে বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।তিনি বলেন, এখনো আগুনের লাগার কারন জানা যায়নি।

এর আগে ২০১৭ সালের ৩ জানুয়ারি গুলশান-১ এর ডিএনসিসি মার্কেটে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেভছিল, প্রায় ২ বছরের ব্যবধানে ফের ডিএনসিসি মার্কেটের কাচাবাজার এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটলো।

বাংলাদেশ সময়ঃ 06.40 ঘন্টা, মার্চ 30, 2019

সূত্রঃ বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

রাজধানীর বনানী এলাকার বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টা ৫০ মিনিটের দিকে বনানীর এফআর টাওয়ারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। 

কিভাবে আগুন লেগেছে তাৎক্ষণিকভাবে সে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি তিনি। এদিকে, ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।

এদিকে, ২৬ তলায় আটকে থাকা ইকো লাইন শিপিং কর্পোরেশনের অ্যাসিট্যান্ট ম্যানেজার দীপক কুমার দাসের ভাইয়ের সাথে হলে তিনি জানান, ভেতরে অনেকেই আটকে আছে । বের হতে পারছে না। আমার ভাই এক মাত্র বের হয়ে ছদে যেতে পেরেছে। ধোয়ার কারণে কষ্ট হচ্ছে সকলের।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ফায়ারম্যান রবিউল ইসলাম জানান , সোমবার বেলা ২.৩০ মিনিটের দিকে ১৭ নং রোডে আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইয়নিভার্সিটির পাশে বসতি হরাইজন টাওয়ার নামের ওই ভবনে আগুন লাগে।

১৮ তলা ওই ভবনের সবগুলো ফ্লোরেই বিভিন্ন বাণিজ‌্যিক প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়। ওই ভবনের একটি ট্র্যাভেল এজেন্সির এক কর্মী জানান, আগুনের উৎপত্তি হয় ভবনের নিচতলায়। পরে তা বিদ‌্যুতের তারের মাধ‌্যমে উপরের দিকে যায় বলে তার ধারণা।

আগুন লাগার পর কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়। অনেকে ফেইসবুকে ছবি ও ভিডিও দিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাতে থাকেন।

শাহরুখ পিকুল নামের একজন ফেইসবুকে লেখেন, আগুন ছোট হলেও প্রচুর ধোঁয়া। এ কারণে আতঙ্কও বেশি। লোকজন মরিয়া হয়ে বেরিয়ে আসছে। ৪০-৪৫ মিনিটের মধ‌্যে ফায়ার ট্রাক চলে এসেছে, ঢাকার যানজটের বিবেচনায় এটা খারাপ বলা যায় না।

ফেইসবুকে আরেকজন জানান, ধোঁয়া বাড়তে শুরু করার পর ১৩ ও ১৪তম তলায় কিছু লোক আটকা পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাদের উদ্ধার করেন।  

ভবনের উপরের ফ্লোরগুলো থেকে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে ছাদে উঠে যান। অনেককে রেলিং টপকে পাশের ভবনেও চলে যেতে দেখা যায়।একজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ফায়ারম‌্যান রবিউল ইসলাম।

ওই ভবনের টিউন এভিয়েশন লিমিটেড কর্মকর্ত কামাল হোসেন জানান, তাদের ক্লিনার শেফালী বেগম (৪৫) ধোয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়েন।তারপর সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে আঘাত পান। তাকে ঢাকা মেদিকেল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি করা হয়েছে।